http://banglamdfarid-com.webs.com/
18/12/2011
Cafe Gratitude
I love meat as much as the next carnivore, but I get down with vegan cuisine on a regular basis. Cafe Gratitude is heaven for vegans. If yoga was a meal, it would be this place. All dishes are named with affirmations, and your server gives you a quote of the day after you place your order. It's very "LA zen" of them, and I LOVE IT.
Cafe Gratitude
639 Larchmont Ave.
Los Angeles, CA 90004
http://banglamdfarid-com.webs.com/
NY Fashion Week
Fashion's Night Out, Helmut Lang
Taylor, me, and Mitsu at Siki Im
http://banglamdfarid-com.webs.com/
Hearty Mag
http://banglamdfarid-com.webs.com/
গুপ্তহত্যা ও সন্ত্রাস বন্ধে সরকারের প্রতি আহ্বান জানালেন খালেদা
http://banglamdfarid-com.webs.com/
Please help me Belize I want to resolve the problem Hama How do I Bing alert officials of the Web: The discovery of malicious software Location: http://mloook.com/ Priority: High Bing officials discovered the tools web 1 other programs on the harmful http:
http://banglamdfarid-com.webs.com/
জানা ও জানানোর আগ্রহ ও তার ধরন
নতুন কোন ঘটনা জানার আগ্রহ এবং কোন বিষয়কে জানানোর আগ্রহ একটি সহজাত প্রবৃত্তি। আপনার ব্যক্তিগত কোন বিষয়ে সাফল্য বা ব্যর্থতা বন্ধুদের জানানোর যেমন আগ্রহ তৈরী হয় ঠিক তেমনি বন্ধুরাও আপনার খোজ খবর জানতে চান। বিষয়টি এখন শুধু এতটুকুতেই সিমাবদ্ধ নয়। বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এই জানা ও জানানোর অবস্থানের উপরে চলছে বিশাল বানিজ্য আর এই্ বানিজ্যের একটা আংশ সংবাদ মাধ্যম। নতুন মাধ্যম হিসেবে আছে সামাজিক নেটওয়ার্ক ও ব্লগিং।
সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয় জনগুরুত্বপূর্ণ বা আলোচিত কোন বিষয়। আবার তেমনি অনেক কিছুই আলোচনার বাইরেও থেকে যায়। সামাজিক নেটওয়ার্কও (যেমন-ফেসবুক, টুইটার) এক ধরনের সংবাদ মাধ্যম বলা যায়। পরিচিতদের খবরাখবর প্রকাশিত হয় এখানে। এখানে সবাই তাদের খবরাখবরের সাথে ছবি, ভিডিওও প্রকাশ করছে, তার উপরে আলোচনার হিড়িক বইছে। বিষয়টির আরেকটু গভীরে গিয়ে বেশ কিছু দেখে নেই।
জানার আগ্রহ
আপনি কি কি বিষয়ে জানতে বেশি আগ্রহী? আপনি কি পত্রিকার সব খবরই পড়েন? সামাজিক নেটওয়ার্কের সব স্ট্যাটাসকে কি গুরুত্ব দিয়ে দেখেন? কোন ই-মেইল গুলোর গুরুত্ব আপনার কাছে বেশি? বেশ কিছু বিষয়ে মানুষের জানার আগ্রহটা একটু বেশি।
স্থানঃ
আফ্রিকায় জঙ্গলের কোন এক জায়গায় “বাঘের আক্রমনে পাঁচ জন মারা গেছে” এই খবরের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে “আপনার এলাকায় কোন সরক দুর্ঘটনায় একজন মারা গেছে” এই খবরটা। আপনার কোন বন্ধু বা আত্নীয় যদি কোন একটি দেশে বসবাস করে এবং সেই দেশে প্রকৃতিক দুর্যোগ হলে আপনি বেশি চিন্তিত হয়ে পরবেন। স্থানের গুরুত্ব অনেক আগে থেকেই সাংবাদিকরা জানে। বর্তমান সময়ে সামাজিক নেটওয়ার্কসহ অনলাইন মিডিয়া গুলোও ভৌগোলিক সীমারেখা ও ভাষার জন্য ভিন্ন ভিন্ন ইন্টারফেস রাখছে।
সময়ঃ
সাম্প্রতিক এবং অদূর ভবিষ্যতের প্রতি মানুষের ঝোক অনেক বেশি। টেক দুনিয়াতেও ভবিষ্যত গোপন অনেক তথ্যই কোটি টাকার বেশি দামী।
সুনির্দিষ্ট পছন্দের বিষয়ঃ
কোন বিষয়ে পারদর্শী বা পছন্দের বিষয়ে সবার ঝোক একটু বেশিই থাকে। এটা একটা সহজাত প্রবৃত্তি, এক এক জন এক একটি বিষয়ে আগ্রহী হয়। কেউ সাহিত্যে কেউ বা বিজ্ঞান বিষয়ে জানতে আগ্রহী হয়। শিশুদের পছন্দের বিষয়ের সাথে বড়দের পছন্দের অমিল থাকে অনেক। একটি ব্লগ তৈরী করলে সব ধরনের পাঠক যে সেটা পছন্দ করবে না তা মেনে নিতেই হবে।
প্রিয় ব্যক্তিত্ব, আদর্শ ও ধর্মঃ
কোন কোন আদর্শ মানুষকে পথ চলতে সহায়তা করে, ধর্মীয় বিশ্বাস বা কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠির নিয়ম, সংস্কৃতিও মানুষের পড়ার বিষয়কে আন্যের থেকে আলাদা করে দেয়।
জানানোর আগ্রহ
যে সব বিষয় আপনাকে আকর্ষণ করে আপনি কি সেই বিষয়গুলো অন্যের সাথে শেয়ার করেন? অনেকেই শেয়ার করেন আবার অনেকেই শেয়ার করেন না।
সামাজিক নেটওয়ার্ক, ই-মেইল বা অন্যন্য যোগাযোগের ক্ষেত্রে যে সব বিষয় একে আন্যের সাথে শেয়ার করে তা কি শ্রোতা/পাঠকেরর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়? আপনি যদি ব্লগার হন তাহলে বিষয়টি অবশ্যই ভাবনার আছে বা আপনি নিজেও ভেবেছেন নিজের অজান্তে। আপনি ভেবেছেন যে এটি কি সবাই পড়বে বা জিনিসটি কি উপকারী কিছু হবে কিনা।
সামাজিক বা রাষ্ট্রিয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর উপরে ধারাবাহিক একটা আগ্রহ কাজ করে। সৃষ্টি বা ধ্বংশ যা ব্যপক জনগোষ্ঠির উপরে প্রভাব ফেলে তা আলোচিত বিষয় হিসেবে দেখা যায়। শুধু তাই নয় কোন একটি চলচিত্র বা কোন পুরষ্কারের কথাও ব্যাপক আলোচিত হয়। ব্যক্তিগত জীবনে প্রত্যেকে তার কাছের ও পছন্দের বিষয়ে আলোচনা করতে চায়। প্রযুক্তিতে আগ্রহী ব্যক্তিরা বিভিন্ন প্রযুক্তিগত বিষয় ও সমস্যা নিয়ে একে অন্যের সাথে আলোচনা করে যা প্রযুক্তি ব্লগেও কিছুটা দেখা যায়।
এসব কথা অনেকেরই জানা, তার পরেও এই বিষয়টি নতুনভাবে বলার কারন হলো- ব্লগিং এ যারা প্রফেশনালভাবে প্রবেশ করতে চায়, যারা তাদের লেখুনিকে টাকায় পরিনত করতে চায় তাদের অবশ্যই এই বিষয়গুলোতে মন দিতে হয়। নিজের আগ্রহ এবং পাঠকের আগ্রহ দুটি বিষয় মিলিয়ে ফেলতে পারলে এবং সেটা সঠিকভাবে পাঠকের কাছে নিয়মিত পৌছাতে পারলে ব্লগকে স্বার্থক করা সময় সাপেক্ষ হবে না বলে মনে করি।
http://banglamdfarid-com.webs.com/
ব্র্যান্ডিং এ ভিডিওর গুরুত্ব
অনেক আগে থেকেই টেলিভিশন অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। অনলাইনেও ভিডিওর অবস্থান দিন দিন সু-প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। মূলতঃ ভিডিওর মাধ্যমে সহজে অনেক কিছু এক সাথে প্রকাশ করা যায়। আর তাই একটি পণ্যের ব্র্যান্ডকে সু -প্রতিষ্ঠিত করতে টেলিভিশনে চমৎকার কিছু বিজ্ঞাপণ দেখা যায়।
অনলাইন কোন প্রোজেক্টেরও ভিডিও ব্র্যান্ডিং দরকার আছে। কোন ব্র্যান্ডকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য বেশ কিছু নিয়ামকের মধ্যে ভিডিও যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান তার উদাহরণ দেওয়ার জন্য বেশ কিছু জনপ্রিয় ব্যান্ডের ইউটিউব চ্যানেল থেকে ঘুরে আসুন।
স্কাইপ
ইউটিউব
ইয়াহু
নিউইয়র্ক টাইমস
ইউটিউব চ্যানেলগুলোর কিন্তু বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে, হলফ করেই বলা যায় যে চ্যানেলগুলোর সাথে তাদের স্ব স্ব ওয়েবসাইটের চেহারার সাথে মিল রয়েছে। আর তাদের ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নিতে এটি চমৎকার সহায়তা করছে তাও বুঝা যায় তাদের সাবক্রাইবারের সংখ্যা দেখে। আপনি নিজে ছোট করে একটি ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠিত করতে হলেও ইউটিউবকে বাদ দেওয়া যাবে না। এটি একটি সামাজিক নেটওয়ার্কের চেয়ে কম কিছু না।
বিশ্বসেরা ব্র্যান্ড এপলের চ্যানেল পরিসংখ্যান দেখলে আপনি বুঝতে পারবেন যে তাদের ব্র্যান্ডের জন্য ভিডিওর ভূমিকা কতদূর।
আর এপলের সাইটেও তিনটি ভিডিওর লিংক দেখেই বুঝা যায় তাদের ব্র্যান্ডের ভিডিওর ভূমিকা।
প্রতিটি পণ্য উৎপাদনের সাথে সাথেও ব্লগ, খবরের সাথে সাথে মানসম্পন্ন ভিডিও ও টিভি এড দেওয়ার কারন হলো সহজেই পন্যটির গুনাগুন সম্পর্কে মানুষ জানুক। সর্বশেষ প্রকাশিত পন্যের প্রচারের জন্য তারা টেকনিক্যাল বিষয়ের চেয়ে বাস্তব সম্মত ব্যবহারের গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছেন ভিডিও । এক ঝলকে দেখে নেই সেই ভিডিও।
এটা গেল ভিডিওর এক ধরনের প্রকাশ। আরেক ধরনের প্রকাশ দেখতে পাবেন এখানে গেলে। হোস্টগেটর একটি ওয়েব হোস্টিং কোম্পানী তারা তাদের কাষ্টমারদের সুবিধার জন্য ভিডিও টিউটোরিয়াল বানিয়েছেন এবং সেটা প্রকাশ করেছেন। একই সাথে সাপোর্ট ও ব্র্যান্ডিং এর কাজ চলছে।
আবার অনেকে একটি ওয়েবসাইটে ঢুকে কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করবে বা সেখানকার কাজগুলো কিভাবে করবে তা বুঝতে পারে না। আর এর জন্যও ভিডিও টিউটোরিয়াল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
http://banglamdfarid-com.webs.com/
উন্নত কাস্টমার সার্ভিস প্রদানের বেশ কিছু পদ্ধতি
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন কাস্টমার সার্ভিসের উপরে অনেক অংশেই নির্ভর করে। আর কিছু কিছু ব্যবসাতে কাস্টমার সার্ভিসটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষতঃ অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসাগুলোতে লোকজনের বিশ্বস্থতা অর্জন খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তাই অনলাইন ব্যবসাতে কাস্টমার কেয়ারের পদ্ধতিতে আরও গতিশীলতা আনার বেপারে কিছু বিষয় তুলে ধরলাম
১. কাস্টমারকে কথা বলার সুযোগ দান
আপনি হয়তো জানেন যে কাস্টমার কি বলবে… কিন্তু কাস্টমার মনে করে যে এটা আপনি জানেন না। আর তাই সে আপনাকে সাজেশন দিতে চায়। আর সে সাজেশন দিয়ে তৃপ্তি পায়। তাই তাকে কথা বলার সুযোগ দিন। অনেক সময় বেপারটা এমনও হতে পারে যে একই কথা বিভিন্ন কাস্টমার বলবে এবং তাদের জন্য একই সামাধান উত্তর আপনাকে দিতে হবে-তবে এটা অবশ্যই প্রয়োজনীয়।
২. কাস্টমার সার্ভিসের জন্য বিভিন্ন পথ খোলা রাখা
কাস্টমার সার্ভিস তথ্য বা সাপোর্ট এর জন্য খুব সহজে আপনাকে যাতে খুজে পায় তার ব্যবস্থা করুন। বিশ্বে এখন অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠানও তাদের কাস্টমার কেয়ারকে সামাজিক নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করে নিয়েছে। এখানে একই সাথে লাভ ও ক্ষতি দুটি সম্ভাবনাই রয়েছে।
ক. আপনার ব্র্যান্ডের ফেসবুক পাতায় যদি কোন কাস্টমার আপনার পণ্যের সমস্যা নিয়ে কোন একটি পোষ্ট করে এবং একই সমস্যা যদি অন্যান্যদেরও হয় তাহলে আপনার পণ্য সম্পর্কে বাজে ধারণা সবার মাঝে ছড়িয়ে যাবে। আর এটি আপনার পন্যকে খারাপ পণ্য হিসেবে খুব দ্রুত সবার কাছে পরিচয় করিয়ে দেবে।
খ. আবার এমনও হতে পারে যে, সেই সমস্যার একটি সুবিধাজনক সমাধান আছে এবং সেই সমাধানটি করে দেওয়ার পরে কাস্টমার জনাবে যে, তার সমস্যাটি সমাধান হয়েছে। আর এটি সবাই জানবে। এবং পণ্যটি সম্পর্কে অনেকের ভুল ধারণাও ঠিক হবে। আবার ভাল পণ্য সম্পর্কে ভাল মতামতও একই রকমের ভাল কাজ করবে।
তবে আপনি ভাল সার্ভিস প্রদান করলে এবং কাস্টমার সার্ভিসের দিকে দ্রুত মনোযোগ দিতেছেন কিনা সেটা একেবারে পানির মতো পরিষ্কার হয়ে যাবে।
৩. খুবই দ্রুত যোগাযোগ করা
খুবই দ্রুত যোগাযোগের সহজ পদ্ধতি হলো ফোন যোগাযোগ ও চ্যাটিং। এই দুটি অপশন রাখা জরুরী। তাছাড়া টিকেট সাবমিট ও দ্রুত তার উত্তর দেওয়ার পদ্ধতি আরেক দিক থেকে প্রয়োজনীয়। ফোন ও চ্যাটিং এ মূল সমস্যা হলো নিরাপত্তা। যদি কোন একটি ক্লাইন্ট একটি সমস্যার কথা ফোনে জানায় তখন সে সেই পণ্যটি নিয়েছে কিনা সেটি বুঝতে গেলে অনেক ঝামেলা । কিন্তু প্রতিটি কাস্টমারের একটি ইউজার আইডি থাকলে (সাধারনতঃ অনলাইনে বেচা-কেনা সব পণ্যের ক্ষেত্রেই কাস্টামর আইডি থাকে) সেখানে সাপোর্ট সিস্টেমে তারা সমস্যা সাবমিট করলে তার সমাধান দেওয়া যেতে পারে।
হার্ডওয়্যার ব্যবসার ক্ষেত্রে পণ্যটি উপযুক্ত সার্ভিস সেন্টারে আনার দরকার পরে এবং সেখানে কত দ্রুত সার্ভিস দেওয়া যায় সেটি দেখতে হবে।
দ্রুত যোগাযোগের আরেকটি বড় সুবিধা হলো আপনার পন্য বিক্রিতে এটি মার্কেটিং এর মতো কাজ করবে। অনেক সময় কাস্টমার একটি পণ্য কেনার পরে আরেকটি পণ্য সম্পর্কে জানতে চাইবে। আর তখন আপনাকে ফোন করবে এবং অন্য পন্যটির বৈশিষ্ট্য সম্পকে জানতে চাইবে। আর সেই সুবাদে হয়তো আপনি আরও কিছু পণ্য বিক্রি করতে পারবেন।
৪. খবরাখবর জানানো
নিউজ লেটারের মাধ্যমে নিয়মিত ভাবে কাস্টামারের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন – তবে এটা যেন বিরক্তের কারন না হয়। কাস্টমারকে অবশ্যই নিউজলেটার বন্ধ রাখার পদ্ধতি জানিয়ে দেবেন। নতুন কোন প্রোমোশন বা অফারের জন্য সবাইকে ই-মেইল পাঠাতে পারেন। নতুন কোন সার্ভিস বা পণ্য চালু হলে সেটাও জানিয়ে দিতে পারেন।
এতে করে আপনার কথা কাস্টমারের মনে থাকবে এবং সে সহজে আপনার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারবে।
৫. সার্ভিসের বাইরের সার্ভিস
এটা ঠিক যে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই নির্দিষ্ট কোন পণ্য বা সার্ভিস রয়েছে। তবে আমি নিজে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান দেখেছি যারা একটু বেশি দামে ভাল মানের ও উন্নত সেবা প্রদান করে- এবং তাদের কাছ থেকেই বেশি পরিমানে পণ্য বিক্রি হয়। মানুষ আসলে কোন একটি পণ্য বা সেবা নিয়ে নিশ্চিত থাকতে চায় এবং নিরাপত্তাবোধ করতে চায়। আর সেটি প্রদান করতে পারলে বেশি দাম নেওয়া কোন বেপার হয় না। উদাহরণ স্বরূপ আমাদের প্রতিষ্ঠান অন্য একটি প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত কম্পিউটার সামগ্রী কিনে থাকে। যে প্রতিষ্ঠান থেকে কিনে থাকে তারা এসে পণ্যটি দিয়ে যায়, সমস্যা হলে তারা নিজেরা এসে সেই পন্য নিয়ে ঠিক করে দেয় অথবা ওয়ারেন্টি থাকলে সেটা বদলে দিয়ে যায়।
তাদের এই ধরনের সার্ভিস কাছাকাছি অন্য কেউই দেয় না। আর তাই তারা নিয়মিতভাবে আমাদের কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারছে।
উন্নত বিশ্বে যারা বসবাস করেন তারা বিষয়টি হয়তো সহজেই বুঝতে পারেন, তাদের দেশের ২৪ ঘন্টা কাস্টমার সার্ভিস আর আমাদের দেশের সরকারী সার্ভিসগুলোর মধ্যকার আকাশ-পাতাল পার্থক্য। আমি আমেরিকার একটি লকস্মিথের ওয়েবসাইটের কাজ করতে গিয়ে জানলাম তারা ২৪ ঘন্টা তালা বিক্রি, তালার চাবি তৈরী, তালা মেরামতের সার্ভিস প্রদান করেন। একটি বিদেশি হোস্টিং কোম্পনীতে সাপোর্ট টিকেট সাবমিট করলাম এবং কিছুক্ষন পরেই তারা আমাকে ফোন করলো এবং মূল সমস্যাটি জানতে চাইলো এবং পাঁচ মিনিটের মধ্যে তারা সমাধান করেও দিলো। আমি তাদের কাস্টমার কেয়ার দেখে অবাক। আমাদের দেশের বিটিসিএল (বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানী লিমিটেড) সহ অনেক প্রতিষ্ঠানে এখনো সরাসরি গিয়ে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ও ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস নিতে হয়। এমন কি ডোমেইন নেম সারভার পরিবর্তনের জন্যও তাদের কাছে সরাসরি যেতে হয়।
অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য কাস্টামার সার্ভিসের বিষয়টা বাংরাদেশে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারন এখনো এ দেশে আনলাইন ব্যবসা বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারে নাই।
http://banglamdfarid-com.webs.com/
Popular Posts
-
Biografia di Magda Gomes : 11/02/1978 - Modella e showgirl brasiliana La bellissima Magda Gomes nasce il giorno 11 febbraio 1978 in una picc...
-
The Hundreds Magazine Vol. 3 Issue 2 | The Music Issue : Big hugs to The Hundreds for including me in the latest issue of their magazine....
-
ফেইসবুক কানেক্ট ব্যবহার; অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন : সচলায়তনে ফেইসবুক কানেক্ট ব্যবহারের জন্য কিছু ডেভলপমেন্ট করা হচ্ছে। এ মুর্হুতে এর ব্যবহ...
-
springhill group care | Tumblr | Dropjack | Value Investing News : http://www.valueinvestingnews.com/springhill-group-care-tumblr-dropjack ...
-
ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে আগ্রহী মুরসি : মার্কিন সিনেটের প্রস্তাব ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল : র্যান্ড পল htt...